আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

ধর্ষকের জিহ্বা কামড়ে ছিড়লেন নারী চিকিৎসক

হাসপাতালের স্টাফ কোয়ার্টারে নিজের কক্ষে ঘুমিয়েছিলেন এক নারী চিকিৎসক। গভীর ঘুমে যখন মগ্ন ছিলেন তখন এক ব্যক্তি হাসপাতালের কোয়ার্টারে ঢুকে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় ওই নারীর ঘুম ভেঙে যায়। জোরপূর্বক চুম্বন করার সময় ধর্ষকের জিহ্বা কামড়ে ছিড়ে নিজেকে রক্ষা করেন নারী চিকিৎসক।

এ ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্লোমফন্টেইন শহরের পেলোনোমি টার্সিয়ারি হাসপাতালে। এ ঘটনার পর ওই ধর্ষককে খুঁজতে শহরে সব হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সতর্কতা জারি করা হয়। এতে কোনো হাসপাতালে জিহ্বার জরুরি চিকিৎসার জন্য কেউ গেলে তাকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ব্রিটিশ দৈনিক ডেইলি মেইল বলছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ২৪ বছর বয়সী ওই নারী চিকিৎসক সাহসিকতার সঙ্গে লড়াই করে নিজেকে বাঁচিয়েছেন। বহিরাগত ওই ব্যক্তি হাসপাতালে রোগী সেজে ঢুকে পড়েন। পরে ওই নারী চিকিৎসকের বাসায় যান তিনি। ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত চিকিৎসকের ওপর হামলে পড়েন। এক পর্যায়ে ওই নারীর মুখের ভেতর জিহ্বা ঢুকিয়ে চুম্বনের চেষ্টা করেন।

এত কাল হয়ে যায় ধর্ষকের। ধর্ষকের জিহ্বা কামড়ে মারাত্মকভাবে ছিড়ে ফেলেন ওই নারী। জিহ্বার সামনের অংশ কামড়ে মুখের বাইরে নিয়ে আসেন তিনি। ধর্ষকের মুখ থেকে প্রচণ্ড রক্তপাত শুরু হয়। এ সময় ওই ধর্ষক দৌড়ে পালিয়ে যায়।

মঙ্গলবার রাত দুইটার পরে ওই ব্যক্তি পেলোনোমির ন্যাশনাল হাসপাতাল চিকিৎসা নিতে যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের কাছে খবর পাঠিয়ে দেয়। পরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই ধর্ষককে গ্রেফতার করে।

পুলিশ ৩২ বছর বয়সী সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি ধরে নিয়ে পেলোনোমি টার্সিয়ারি হাসপাতালের কোয়ার্টারে যায়। সেখানে পৌঁছে ওই নারী চিকিৎসকের সামনে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। ওই নারী আহত ব্যক্তিকে ধর্ষণ চেষ্টাকারী হিসেবে শনাক্ত করেন।

পরে তাকে পেলোনোমির একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওই হাসপাতালে তার জিহ্বায় প্লাস্টিক সার্জারি করা হয়। সুস্থ হওয়ার পর তাকে ব্লোমফন্টেইন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :