আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

অধ্যাপক ডাক্তার রাশিদা বেগম : শত গুণের আধার বাংলাদেশি দেবি

ডা. সাকলায়েন রাসেল :

ওনাকে চেনেন?

বলেন তো দেখি ওনার সম্পর্কে দু’টি কথা..যা আপনার মনের কোণে লুকিয়ে আছে! হতে পারে আপনার একটা কমেন্টই ওনার জীবনের শ্রেষ্ঠ উপহার!

একটু সাহায্য করি…

উনি .. Professor Rashida Begum
একজন মানবিক চিকিৎসক
একজন দেশ সেরা বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ
একজন অত্যন্ত উঁচু মানের লেখক
একজন সফল উদ্যোক্তা
একজন অনুকরণীয় শিক্ষক
দিনশেষে একজন আদর্শ মা…একজন সফল স্ত্রী!

তবে আমি ওনাকে চিনি একটু ভিন্নভাবে..মিডিয়ায় কাজ করার কারণে এবং নানা সংগঠনের সাথে জড়িত থাকার সুবাদে দেশের অনেক চিকিৎসকের সাথে কথা হয়..পাশে থাকার সৌভাগ্য হয়!
কিন্তু অধ্যাপক ডা. রাশিদা ম্যামকে দেখেছি একটু ভিন্নভাবে!
একজন দানশীল চিকিৎসক হিসেবে ম্যাডামের তুলনা নেই..
দেশের কোথাও বন্যা হয়েছে…সাকলায়েন, তুমি কি কোন উদ্যোগ নিয়েছো?
একজন মেডিকেল স্টুডেন্ট অসুস্থ হয়ে পড়েছে…সাকলায়েন, তোমরা কি কোন উদ্যোগ নিয়েছো?
একজন চিকিৎসক বিপদে পড়েছে…সাকলায়েন, তোমরা কি কিছু করেছো?
ঈদ এসেছে…সাকলায়েন, তোমরা কি পথশিশুদের জন্য কিছু করছো?
এসব প্রশ্নের একটাই কারণ…উনি আর্থিক সাহায্য করতে চান…এবং নিঃস্বার্থভাবে দান করে যাচ্ছেন দিনের পর দিন!

রাশিদা বেগম ইনফার্টিলিটি বিষয়ে এদেশের সুপরিচিত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিভাগে কর্মরত ছিলেন দীর্ঘদিন। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ইনফার্টিলিটি কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার। তিনি প্রতিষ্ঠানটির চীফ কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ২০০৩ সাল থেকে টেস্টটিউব পদ্ধতিতে গর্ভধারণের কাজ করে যাচ্ছেন। ২০০৮ সালে ডা. রশিদা বেগম দেশে প্রথম ফ্রোজেন বেবির জন্মের ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছেন। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ‘এশিয়া ওশেনিয়া ফেডারেশন অব অবসটেট্রিক্স এন্ড গাইনোকলজি’ থেকে পেয়েছেন ‘ইয়ং সায়েন্টিস্ট অ্যাওয়ার্ড’। শাইনিং পার্সোনেলিটি অ্যাওয়ার্ড, হেলেন কেলার গোল্ড মেডেল ছাড়াও পেয়েছেন বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা।
তাঁর লেখা বই ভারতের বিখ্যাত Jaypee পাবলিশ করেছে যা গাইনি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে আগ্রহীদের জন্য অত্যান্ত সহায়ক একটি বই।
সরি ম্যাম!
ক্ষমা করবেন..
আমি নিশ্চিত…এসব বিষয়ে কথা বলতে আপনি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন না।
তবুও মনে হল…আমার ওয়ালটা একদিন আপনার আলোয় আলোকিত হোক! তাই আপনার অনেক গুনের অল্প কিছু এখানে তুলে ধরলাম।
বাংলাদেশেই জন্ম আপনার..রয়ে গেছেন এ দেশেই…তাই নিশ্চিত থাকেন, আপনার এসব কর্মের খবর কোন দিনই আলোর মুখ দেখবেনা!

তবুও আপনাদের দেখেই এদেশের তরুণ চিকিৎসক সমাজ অনেক বেশি অনুপ্রাণিত হয়।
কারণ, কিছু রোগীর কাছে আপনারা দেবীতূল্য।
আফসোস এই দেবীদের গল্পগুলো শুধু হাসিমাখা রোগীদের চার দেয়ালে আলোড়ন তোলে।
ঘরের দেবীরা তাই পর্দার আড়ালেই থেকে যায়!
ডালপালা ছড়ায় শুধু দেবী শেঠিদের গল্পগুলো।

লেখক :

ডা. সাকলায়েন রাসেল

 

 

 

 

 

 

ভাসকুলার সার্জন ও ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :