আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

গণস্বাস্থ্যের সেই নবজাতকের দত্তক নিলেন কৃষিবিদ দম্পতি

নিজেস্ব প্রতিবেদকঃ

আশুলিয়ার মির্জানগর এলাকায় গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজের প্রাচীরের বাহির থেকে উদ্ধার করা নবজাতককে দত্তক নিলেন কৃষিবিদ মোঃ বজলুর রহমান ও মিসেস সাফিয়া ইসলাম দম্পতি।

নবজাতকটিকে দত্তক নেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ আবু তাহের।

এ সময় তিনি আরো বলেন, নবজাতককে ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় লিখিতভাবে অবগত করা হয়েছিল। আমাকে ওসি সাহেব যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বলেছেন। নবজাতককে নেওয়ার জন্য অনেকেই আবেদন করেছে,তার মধ্য থেকে গত ৩ জুন ২০১৯ আমরা একটি টিম উক্ত দম্পতির বাসা বাড়ি পরিদর্শন করি। যেহেতু ওনারা (স্বামী- স্ত্রী) উভয়ে উচ্চ শিক্ষিত এবং বজলুর রহমানের স্ত্রী ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইংরেজি শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন ও নিজস্ব বাড়িতে বসবাস করেন তাই শিশুটির ভালো ভবিষ্যৎ প্রত্যাশা করে এই পরিবারে হস্তান্তর করি।

গত ১১ মে সকালে আসিফ হোসেন নামে এক ইট-বালু-খোয়ার ব্যবসায়ী একজন পথচারীর মাধ্যমে নবজাতক শিশুকে দেখে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।এর পর থেকে নবজাতকটি হাসপাতালের গাইনী বিভাগেই ছিল। কারণ অনেক নবজাতকের মা গাইনী বিভাগে আছে, তাদের বুকের দুধ পান করানো হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিশু বিশেষজ্ঞ ও রেজিষ্ট্রার (শিশু বিভাগ) ডাঃ মাহবুব জোবায়ের সোহাগ, ইন্টার্ন চিকিৎসক ডাঃ লিডিয়া রুত বিশ্বাস ও ডাঃ রিজভীয়া জাহান সীমা।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :