আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

অ্যাম্বুলেন্সে অভিনব পদ্ধতিতে ইয়াবা পাচারকাল আটক মাদক ব্যবসায়ী

চট্টগ্রাম নগরীতে এবার রোগী বহনের পাশাপাশি অ্যাম্বুলেন্সে করে ইয়াবা পাচারকালে দুই মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। এ সময় অ্যাম্বুলেন্সটির ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয় আট হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট। শুক্রবার রাতে কোতোয়ালীর ব্রিজ ঘাট এলাকায় ডিবি পুলিশের হাতে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া দুইজন হলেন- লক্ষীপুরের উলপুত গ্রামের মৃত ছানাউল্লাহর ছেলে দুলাল (৪০) ও নোয়াখালী সদরের মৃত সিদ্দিকউল্লাহর ছেলে ফারুক হোসেন (৩৮)। নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোমিনুল হাসান জানান, গ্রেপ্তারকৃতরা পেশাদার মাদক ব্যবসায়ী। কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে তারা সেগুলো ঢাকায় নিয়ে গিয়ে বিক্রি করত। আইন শৃক্সখলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা অ্যাম্বুল্যান্সে রোগী পরিবহনের পাশাপাশি ইয়াবা পাচার করত।

ডিবি পুলিশ জানিয়েছে, ফারুক ও দুলাল বৃহস্পতিবার সকালে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে নোয়াখালী থেকে কক্সবাজারে যায়। কক্সবাজার থেকে তারা প্রথমে ইয়াবা সংগ্রহ করে। রাতে চকরিয়ার জমজম হাসপাতাল থেকে হৃদরোগে আক্রান্ত আনুমানিক ৬৫ বছর বয়সী এক রোগীকে নিয়ে তারা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের উদ্দেশে রওনা দেয়। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অ্যাম্বুলেন্সটি আটকের পরে তল্লাশি চালিয়ে সিটের নীচ থেকে আট হাজার পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। এ সময় ওই রোগীকে অন্য গাড়িতে করে দ্রুত চমেক হাসপাতালে নিয়ে এসে ভর্তি করানো হয়েছে।

অ্যাম্বুলেন্সটি (ঢাকা মেট্রো-ছ-৭১-২৭২৫) থেকে উদ্ধার হওয়া ইয়াবাগুলো চালকের পাশের সিটের নীচে অভিনব কায়দায় লুকানো অবস্থায় ছিল। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজার মূল্য ২৪ লাখ টাকা। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতরাসহ অজ্ঞাতনামা আসামীর বিরুদ্ধে কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আইন শৃক্সখলা বাহিনী বলছে, ইয়াবা পাচারের অভিনব সব ধরণের কৌশল ব্যবহার করছে ইয়াবা কারবারীরা। বিশেষ করে পরিবহনের ক্ষেত্রে, কোনো কোনো সময় নির্ধারিত গন্তব্যের যাত্রীবাহী বাসের পাশাপাশি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত দূরপাল্লার বাসগুলোতে, আবার কোনো কোনো সময় বনভোজনের নামে বেড়াতে এসে পাচার হচ্ছে ইয়াবা। পণ্য সরবরাহের আড়ালে ট্রাক, কাভার্ডভ্যানসহ বিভিন্ন যানবাহনেও দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা পাচারের ঘটনা ঘটছে। মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের স্টিকার দামী ব্রান্ডের গাড়িতে লাগিয়েও ইয়াবা পাচার হচ্ছে। এ ধরণের কৌশল ব্যবহার করে বিভিন্ন সময় পুলিশের হাতে ধরাও পড়ছে তারা। এবার পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে অ্যাম্বুলেন্সে করে রোগী পরিবহনের পাশাপাশি ইয়াবা পাচার করছে কারবারীরা। এত ধরা পাকড়াও, বন্দুকযুদ্ধের পরও তাদের দৌরাত্ম্য কমছে না বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

মেডিনিউজ ডেস্ক,

জুয়েল দাশ গুপ্ত।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :