আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০২:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» “একজন স্বেচ্ছাসেবী,নিয়মিত রক্তদাতা সাদিয়া ক্যান্সারে আক্রান্ত, আর্থিক ভাবে সকলেই এগিয়ে আসুন”  «» ইউনানী/হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট সহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ «» ঢামেকে ব্রাদার ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংঘর্ষে আহত ২৫ «» আগামী সাতদিন খুবই চ্যালেঞ্জিং : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর «» বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থোপেডিক হাসপাতাল নিটোরের গল্প «» শুকরের চর্বিতে উৎপাদিত তেলে আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের হৃদপিণ্ড! «» প্রাকৃতিক উপায়ে এডিস মশা থেকে মুক্তির উপায় «» ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত নতুন রোগী প্রায় ২ হাজার «» স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» এবার ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত

ফিজিওথেরাপি রোগীদের প্রচলিত ৫ টি ভুল ধারণা

১। নতুন ব্যথায় ও জয়েন্টের ব্যথায় গরম সেঁকঃ এটি আমাদের দেশে খুবই কমন বিষয়। কোথাও আঘাত পেলে প্রথম তিনদিন কোনরূপ গরম সেঁক দিলে সেখানকার প্রদাহ বেড়ে যায়। ফলে এটি আপনার জন্য ক্ষতি। জয়েন্টের ব্যথা বা বাতজনিত ব্যথাতেও গরম সেঁক কার্যকর নয়। এক্ষেত্রে, বরফ/ ঠান্ডা খুব ভালো কাজ করে। গরম সেঁক কেবলমাত্র পুরাতন মাংসপেশির ব্যথায় কিছুটা কার্যকর।

২। ঘাড় ব্যথায় কলার ও কোমর ব্যথায় বেল্টঃ এগুলো আপনার মাংসপেশিকে আরও শক্ত ও দুর্বল করে ফেলে। এগুলো জাস্ট বর্তমান ব্যবসা। খুব অল্প সংখ্যক রোগীর দূরবর্তী ও ঝাকুনিযুক্ত ভ্রমণ ছাড়া বাকি সময় কোমরের বেল্ট খুবই ক্ষতি।

৩। হাঁড়ক্ষয়/ফাঁকা হয়ে যাওয়াঃ

এটিও একটি ভুল কথা। বাংলাদেশের রোগীদের গড়ে সবাইকে এসব বলার কারন রোগী যাতে ঘাবড়ে যায়। আসলে হাড়ক্ষয় একটি সহজ শরীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। পৌঢ়ত্বের শেষে ও বার্ধক্যের শুরুতে এটি হবেই। সাধারণত মহিলাদের রজোনিবৃত্তিতে (Post menopausal) এটি বেশি পরিলক্ষিত হয়। আসলে, এসবগুলোই বয়সজনিত সমস্যার ফলাফল। হাঁড়ক্ষয় বিষয়টিকে বলা হয় অস্টিওপরোসিস ও ছোটছোট হাঁড় গঠনকে বলা হয় অস্টিওফাইটস।

৪। ফিজিওথেরাপি মেশিনপত্রঃ

ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় মেশিনপত্রের ভূমিকা দিনদিন কমছে। এগুলো আশি/ নব্বইয়ের দশকের চিন্তাধারা থেকে চিকিৎসা। বর্তমানে ফিজিওথেরাপি চিকিৎসায় বিভিন্ন ম্যানুয়াল এ্যাপ্রোচ এসছে। মানুষ উপকৃত হচ্ছে।

৫। ম্যাসাজে মুক্তিঃ

অনেকে মনে করেন স্ট্রোক বা অন্য কোন নিউরো সমস্যায় ম্যাসাজেই মুক্তি রয়েছে। এটিও ভুল ধারনা। এটির কোন বিজ্ঞানলব্ধ ভিত্তি নেই। আজকাল পিএনএফ, বোবাথ এপ্রোচ, বিএটি, মিরর থেরাপি বহুল ব্যবহৃত ও বিজ্ঞানসম্মত।

ডা. এম মনিরুজ্জামান অলিভ, পিটি
প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক, অলিভ’স ফিজিওথেরাপি
সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ ফিজিওথেরাপি এসোসিয়েশন

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :