আজ মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

Notice: Undefined variable: bnews_options in /home1/medinewsbd/public_html/wp-content/themes/Medinews Theme/header.php on line 146

Notice: Undefined variable: bnews_options in /home1/medinewsbd/public_html/wp-content/themes/Medinews Theme/header.php on line 146

Notice: Undefined variable: bnews_options in /home1/medinewsbd/public_html/wp-content/themes/Medinews Theme/header.php on line 146
«» চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখায় মাদক নির্মূল কমিটি গঠন «» উৎসর্গ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বরগুনায় শুকনো খাবার বিতরণ !!  «» বরিশাল ‘আই এইচ টি’তে জেলহত্যা দিবসে অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে ডিজে পার্টি! «» ভারতের চেয়ে আমাদের স্বাস্থ্যখাত বেশি উন্নত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» বিনা মূল্যের ওষুধ বিক্রি, ফার্মেসি মালিককে জরিমানা «» মাতৃমৃত্যু কমাতে হলে সিজারের সংখ্যাও কমাতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» মাতৃস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানস্বরূপ ৩ মেডিকেল কলেজকে বিশেষ সম্মাননা «» কিংবদন্তি চিকিৎসক এম আর খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ «» স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে হবে আলাদা মেডিকেল ইউনিট «» খুলনা মেডিকেলে ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু

বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করেন ডা. সায়েবা : বাংলাদেশেও অনন্য নজির

বাংলাদেশের চিকিৎসকদের লোককল্যাণী অনন্য নজির নিয়ে বিদেশে ব্যাপক অভিনন্দন ও আলোচনা হলেও ঢাকাই মিডিয়ায় তা আসে না। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়: বিএসএমএমইউর বিশ্বখ্যাত চিকিৎসক
অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার এক অসাধারণ নজির। নীরবেই কাজ করেন তিনি। বিনামূল্যে লাখ টাকার অপারেশন করেন ।কিন্তু কোন প্রচার চান না। নেনও না। অবসরের প্রভিডেন্ট ফান্ডের ৩৫ লাখ টাকা ভেঙে অসহায় ফিস্টুলা রোগীদের জন্য রাজধানীর মগবাজারে প্রতিষ্ঠা করেন মামস ইন্সটিটিউট।

প্রতিটি ফিস্টুলার অপারেশন ব্যয় ৮০ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত। আক্রান্ত ২০ হাজারের প্রায় সবাই অসহায় হতদরিদ্র হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় মেটাতে পারেন না কেউই। এ কাজ তিনি করছেন বিনামূল্যে।

নিবেদিত প্রাণ বন্ধু, স্বজন, শিক্ষার্থী ও চিকিৎসকদের সহযোগিতায় রোগীদের প্রাণের প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে তার প্রতিষ্ঠানটি। ফিস্টুলামুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সরকারের সহযোগিতায় এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ ইন্সটিটিউট গড়ার স্বপ্ন দেখছেন সায়েবা মেথডের জন্য বিশ্ববরেণ্য এই চিকিৎসক।

সপ্তাহে ৩ দিন ফিস্টুলা, প্রলাপসসহ প্রসবের আঘাতজনিত ১০ থেকে ১২টি অপারেশন করেন ডা. সায়েবা আক্তার। সঙ্গে থাকে ২০ থেকে ২৫ জন শিক্ষার্থী ও ৬ থেকে ৭ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের দল।

রোগীরা বলেন, কতো কষ্ট করেছি, মানুষের কাছে বসতে পারি নাই। টাকা পয়সা ছিলো না এখানে আসার চারদিন পর অপারেশন হয়েছে। ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত ২০ শয্যার হাসপাতালে দ্বিগুণের বেশী চাপ থাকে বছরব্যাপী।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এদের জন্য কারা কাজ করবে। একটা সত্যিকারের ইন্সটিটিউট দেখে যেতে পারাটা আমার জীবনের বড় টারগেট । সরকার যদি আমাদের একটি জায়গা দেয় যেখানে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ একটা প্রতিষ্ঠান গড়তে পারবো।

তথ্য সৌজন্য : সময় টিভি।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :