আজ রবিবার, ২১ Jul ২০১৯, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
«» ডেঙ্গুতে বিভিন্ন জেলায় বহু মানুষ আক্রান্ত «» সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে অর্ধশত ডেঙ্গু রোগী «» ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশন সমীপে কিছু কথা «» সিজারে নবজাতকের মৃত্যুর গুজব: কী ঘটেছিল সেদিন? «» কমিউনিটি ক্লিনিকে আপনাকে স্বাগতম! দুঃখিত, এখানে কোন ডাক্তার নেই! «» গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ফেলা রাখা শিশুর দায়িত্ব নিল “চাইল্ড এন্ড ওল্ড এইজ কেয়ার” «» সেই ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সুপারিশ «» ভুটানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগে আবেদন আহ্বান «» ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মায়ের মৃত্যু «» স্বাস্থ্য অধিদপ্তরই যেন মশা উৎপাদনের কারখানা

আবারও চালু হচ্ছে ‘সি’ ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট সার্টিফিকেট কোর্স

ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ (পিসিবি) পরিচালিত তিন মাস মেয়াদি ‘সি’ ক্যাটাগরির ফার্মাসিস্ট সার্টিফিকেট কোর্স ফের চালু হচ্ছে।

প্রায় বছর দুয়েক বন্ধ থাকার পর এ কোর্সটি পুনরায় চালু হবে বলে জানিয়েছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান। দেশের প্রতিটি ফার্মেসি প্রশিক্ষিত ফার্মাসিস্ট দ্বারা পরিচালনা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বন্ধ থাকা এ কোর্সটি পুনরায় চালু হবে বলে জানান তিনি।

প্রচলিত নিয়ম অনুসারে দেশের যে কোনো প্রান্তে ছোট বড় ওষুধের দোকান পরিচালনার জন্য ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর থেকে ড্রাগ লাইসেন্স এবং ফার্মেসি কাউন্সিল অব বাংলাদেশ থেকে ফার্মাসিস্ট কোর্স সার্টিফিকেট থাকা আবশ্যক। ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে মোট তিন ধরনের কোর্স পরিচালিত হয়। স্নাতক পর্যায়ে ক্যাটাগরি এ, ডিপ্লোমা সার্টিফিকেট কোর্স বি ও তিন মাস মেয়াদি ক্যাটাগরি সি সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালিত হয়। সি ক্যাটাগরি কোর্সে শিক্ষাগত যোগ্যতা কমপক্ষে এসএসসি পাস।

সম্প্রতি রাজধানীতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শতকরা ৯৩ ভাগ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ ও বিক্রি হচ্ছে বলে জানানো হয়। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

অভিযোগ রয়েছে রাজধানীসহ সারাদেশে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মেসি কাউন্সিলের ফার্মাসিস্ট সার্টিফিকেট ছাড়াই অসংখ্য ফার্মেসি পরিচালিত হচ্ছে।

ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের মহাপরিচালকের কাছে এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বর্তমানে রাজধানীসহ সারাদেশে অধিদফতরের বৈধ লাইসেন্স প্রাপ্ত ফার্মেসি সংখ্যা এক লাখ ৩০ হাজার। ফার্মেসি কাউন্সিল থেকে সি ক্যাটাগরির সার্টিফিকেটপ্রাপ্ত ফার্মাসিস্টের সংখ্যা লাইসেন্সপ্রাপ্ত সর্বশেষ সংখ্যার চেয়ে অনেক বেশি।

তিনি বলেন, অবৈধভাবে যেন কোনো ওষুধের দোকান পরিচালিত না হয় সেজন্য অন্ততপক্ষে প্রতিটি দোকানের সি ক্যাটাগরি ফার্মাসিস্টের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে খুব শিগগিরই বন্ধ থাকা সেই কোর্স চালু হবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :