আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» “একজন স্বেচ্ছাসেবী,নিয়মিত রক্তদাতা সাদিয়া ক্যান্সারে আক্রান্ত, আর্থিক ভাবে সকলেই এগিয়ে আসুন”  «» ইউনানী/হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট সহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ «» ঢামেকে ব্রাদার ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংঘর্ষে আহত ২৫ «» আগামী সাতদিন খুবই চ্যালেঞ্জিং : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর «» বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থোপেডিক হাসপাতাল নিটোরের গল্প «» শুকরের চর্বিতে উৎপাদিত তেলে আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের হৃদপিণ্ড! «» প্রাকৃতিক উপায়ে এডিস মশা থেকে মুক্তির উপায় «» ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত নতুন রোগী প্রায় ২ হাজার «» স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» এবার ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত

ডেঙ্গু নিয়ে আতংকিত হওয়ার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি: মেয়র খোকন

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার মতো কোনো কারণ বা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি বলে দাবি করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেছেন, ডেঙ্গু নিয়ে আতংকিত হওয়ার মতো কোনো পরিস্থিতিই সৃষ্টি হয়নি। ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি।

রোববার সচিবালয়ে ঢাকা মহানগরীর মশানিধন কার্যক্রম নিয়ে পর্যালোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সাঈদ খোকন বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে অন্যান্য এলাকার তুলনায় মশার উপদ্রব বা ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব তুলনামূলকভাবে কম কিন্তু আমাদের যেসব নতুন ইউনিয়নগুলো যুক্ত হয়েছে কিংবা ধানমন্ডি, মানিকনগর ও কামরাঙ্গীরচর এলাকায় বেশ কিছু ঝোপঝাড় রয়েছে। সেখানে গাছপালা রয়েছে।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ব্যাপক এলাকাতে ডেঙ্গু বা মশার উপদ্রব তেমনভাবে নেই, আমি আমার জনগণকে আশ্বস্ত করে বলছি। প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ ও জনসচেতনতা-এই দুইটি বিষয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমে ডেঙ্গু কিংবা চিকুনগুনিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘ভয় ধরে গেলে মারাত্মক বিষয় হয়ে যায়। একটা মশায় কামড় দিলে ডেঙ্গু হয়ে যাবে, কমপ্লিকেটেড (জটিল) হয়ে যেতে পারে। বিষয়টা একেবারেই সেই রকম নয়। আমরা অভিজ্ঞতা থেকে বলছি। ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ ডেঙ্গু হচ্ছে ক্লাসিক্যাল ডেঙ্গু, ৭ থেকে ১০ দিনের জ্বরে এটা সেরে যায়। এটাতে কেমন কোনো ক্ষতির কারণ থাকে না। আমার এই চার বছরের অভিজ্ঞতা থেকে বলছি, আতঙ্কিত হওয়ার মতো কিছুই নেই।’

কতজন আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি হবে-এমন প্রশ্নের জবাবে সাঈদ খোকন বলেন, গত জানুয়ারি থেকে এই পর্যন্ত সারাদেশে ২ হাজার ১০০ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৮৭৪ জন রোগী বাসায় চলে গেছেন। ৩০০ জন চিকিৎসাধীন আছেন। মারা গেছেন ২ জন। ১৭ কোটি মানুষের দেশ। এখন বলুন, এটা আতঙ্কিত হওয়ার মতো অবস্থা কিনা। এটা আতঙ্কিত হওয়ার মতো পরিস্থিতি না।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :