আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» “একজন স্বেচ্ছাসেবী,নিয়মিত রক্তদাতা সাদিয়া ক্যান্সারে আক্রান্ত, আর্থিক ভাবে সকলেই এগিয়ে আসুন”  «» ইউনানী/হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট সহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ «» ঢামেকে ব্রাদার ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংঘর্ষে আহত ২৫ «» আগামী সাতদিন খুবই চ্যালেঞ্জিং : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর «» বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থোপেডিক হাসপাতাল নিটোরের গল্প «» শুকরের চর্বিতে উৎপাদিত তেলে আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের হৃদপিণ্ড! «» প্রাকৃতিক উপায়ে এডিস মশা থেকে মুক্তির উপায় «» ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত নতুন রোগী প্রায় ২ হাজার «» স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» এবার ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত

নিখোঁজ চিকিৎসকের ছবি নিয়ে রাত-দিন কাঁদছেন বাবা-মা

নিখোঁজের ১৩ দিন পার হলেও খোঁজ মেলেনি বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসক এএসএম সাঈদ সোহাগের। এ ঘটনায় সোহাগের গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার স্বরূপপুরে চলছে আহাজারি। ছেলের ছবি নিয়ে রাত-দিন কাঁদছেন বাবা-মা।

গত ২৩ জুন রাতে নিখোঁজ হন ডা. সাঈদ সোহাগ। নিখোঁজের পর বিভিন্ন স্থানে সন্ধান করে না পেয়ে, গত ২৬ জুন বরিশাল কোতোয়ালি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন ওই চিকিৎসকের বড় ভাই শামীম সরোয়ার।

স্বজনরা জানান, বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজের ১০৫ নম্বর কক্ষে থাকতেন সোহাগ। গত ২৩ জুন তার বাবার কাছে ফোন আসে তিনি অসুস্থ। পরে বাবা ফোন করলে তার সঙ্গে অস্বাভাবিক কথা বলে ফোন কেটে দেন সোহাগ। এরপর থেকেই তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। এতে পাগলপ্রায় তার স্বজনরা। সন্তানের খোঁজ দিতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন তারা।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুল ইসলাম বলেন, ডা. এএসএম সাঈদ সোহাগ গত ২৩ জুন রাতে নিখোঁজ হন। আমাদের থানায় এ ব্যাপারে একটা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে।

নুরুল ইসলাম বলেন, নিখোঁজের আগে সাঈদ  সোহাগ তার মোবাইল ও মানিব্যাগ রেখে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) ইন্টার্ন ডাক্তার হোস্টেল থেকে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে তার আর সন্ধান মিলছে না। ওনার সাথে কোন মোবাইল ছিল না। মোবাইল ফেলে যাওয়ায় তার খোঁজ পেতে বেগ পেতে হচ্ছে। মোবাইল থাকলে হয়তো ট্র্যাক করে তার অবস্থান জানা যেত।

নিখোঁজের ঘটনার অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে চাইলে ওসি বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা তার কোন খোঁজ পাইনি। ইতিমধ্যে প্রতিটি থানায় মেসেজ দিয়েছি, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও আমরা প্রচারণা চালাচ্ছি। এ পর্যন্ত আমাদের কাছে কোন খবর আসেনি। সংশ্লিস্ট মোবাইল ফোন কোম্পানির কাছে সাইদ সোহাগের কললিস্ট চাওয়া হয়েছে। কললিস্ট হাতে পেলে তা খতিয়ে দেখা হবে। আশা করা যায় দ্রুত চিকিৎসক সাইদ সোহাগের সন্ধান পাওয়া যাবে।

ডা. এএসএম সাইদ সোহাগ নিখোঁজের বিষয়টি নিয়ে হওয়া জিডি’র তদন্ত করছেন কোতোয়ালি থানা পুলিশের এসআই আরাফাত হোসেন হাসান। তিনি বলেন, বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (শেবাচিম) ইন্টার্ন ডাক্তার হোস্টেলের ১০৫ নম্বর রুমে থাকতেন চিকিৎসক সাইদ সোহাগ। একই কক্ষে তার ভাগ্নে (বোনের ছেলে) মো. তন্ময়ও থাকতেন। তন্ময় বরিশাল সিটি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র।

এসআই আরাফাত হোসেন জানান, সাঈদ সোহাগের স্বজন ও পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে একাধিকবার তিনি কথা বলেছেন। তার সন্ধান পেতে বিভিন্নস্থানে খোঁজ চালানো হয়েছে। এখনও অব্যাহত আছে। আশাকরা যায় দ্রুত সাঈদ সোহাগের সন্ধান পাওয়া যাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :