আজ রবিবার, ২১ Jul ২০১৯, ১০:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
«» ডেঙ্গুতে বিভিন্ন জেলায় বহু মানুষ আক্রান্ত «» সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে প্রতিদিন ভর্তি হচ্ছে অর্ধশত ডেঙ্গু রোগী «» ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশন সমীপে কিছু কথা «» সিজারে নবজাতকের মৃত্যুর গুজব: কী ঘটেছিল সেদিন? «» কমিউনিটি ক্লিনিকে আপনাকে স্বাগতম! দুঃখিত, এখানে কোন ডাক্তার নেই! «» গণস্বাস্থ্য হাসপাতালে ফেলা রাখা শিশুর দায়িত্ব নিল “চাইল্ড এন্ড ওল্ড এইজ কেয়ার” «» সেই ওসির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সুপারিশ «» ভুটানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগে আবেদন আহ্বান «» ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসকের মায়ের মৃত্যু «» স্বাস্থ্য অধিদপ্তরই যেন মশা উৎপাদনের কারখানা

৭৩ কোম্পানির মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস

বিভিন্ন ফার্মেসি থেকে নিজেদের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে ধ্বংস করেছে রাজধানীসহ সারাদেশে ৭৩ ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। উচ্চ আদালতের রিট আদেশ বাস্তবায়ন ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বেঁধে দেয়া সময়ের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করে বিষয়টি ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরকে লিখিতভাবে অবহিত করেছে তারা।

এদিকে ফার্মেসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলোর অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে দেশের সব ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে ধ্বংসের জন্য সময়সীমা ১০ জুলাই পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। এ সময়ের মধ্যে কম্পানিগুলো মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করে অবহিত করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. মাহবুবুর রহমান।

সূত্রে জানা গেছে, গত ২ জুলাই অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যাল ধামরাইয়ে ও মেসার্স এরিস্টোফার্মা লি. শ্যামপুরে ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের উপস্থিতিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করে।

চলতি মাসের এক তারিখ স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পাবনায় এবং মেসার্স অ্যাডভান্স কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নারায়ণগঞ্জে স্থানীয় ওষুধ তত্ত্বাবধায়কের উপস্থিতিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ধ্বংস করে। এদিন টঙ্গীতে ড্রাগ ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ গাজীপুর কার্যালয়ে স্থানীয় সহকারী পরিচালক ও প্রধান কার্যালয়ের পরিচালক ড. খন্দকার সগীর আহমেদের উপস্থিতি ধ্বংস করে।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টের এক রিট আদেশ বাস্তবায়ন বিষয়ে গত ২৩ জুন মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংক্রান্ত ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ওষুধ শিল্প মালিক সমিতি, বাংলাদেশ কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতি ও বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিলের সঙ্গে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই জুলাইয়ের মধ্যে দেশের সব ফার্মেসি থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে ফেরত গ্রহণপূর্বক ধ্বংস করার সিদ্ধান্ত হয়। সে নির্দেশনা অনুসারে নির্ধারিত সময়ের মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ফেরত নিয়ে ধ্বংস করে অধিদপ্তরকে অবহিত করলো ওষুধ কোম্পানিগুলো।

এদিকে গত ২৫ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের উদ্যোগে ঢাকা, চাঁদপুর, খুলনা, কুষ্টিয়া, রংপুর ও রাজশাহীতে নকল, ভেজাল, আনরেজিস্টার্ড, মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ও ফিজিশিয়ান স্যাম্পলের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় ১১ মামলায় এক লাখ ১৮ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা ও একজনকে কারাদণ্ড দেয় আদালত।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ৩০ জুন রাজধানীর মানিকনগরে র‌্যাব ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়। এ সময় অবহিত হারবাল ওষুধ তৈরির অপরাধে বনাজি চিকিৎসালয়ের মালিককে ৩ মাসের কারাদণ্ড ও খান ফার্মেসির মালিককে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :