আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯, ০২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» “একজন স্বেচ্ছাসেবী,নিয়মিত রক্তদাতা সাদিয়া ক্যান্সারে আক্রান্ত, আর্থিক ভাবে সকলেই এগিয়ে আসুন”  «» ইউনানী/হোমিওপ্যাথিক ডাক্তার-ফার্মাসিস্ট সহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বিশাল নিয়োগ «» ঢামেকে ব্রাদার ও মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংঘর্ষে আহত ২৫ «» আগামী সাতদিন খুবই চ্যালেঞ্জিং : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর «» বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থোপেডিক হাসপাতাল নিটোরের গল্প «» শুকরের চর্বিতে উৎপাদিত তেলে আক্রান্ত হচ্ছে আমাদের হৃদপিণ্ড! «» প্রাকৃতিক উপায়ে এডিস মশা থেকে মুক্তির উপায় «» ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত নতুন রোগী প্রায় ২ হাজার «» স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়েছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» এবার ঢামেক হাসপাতালে চিকিৎসক লাঞ্ছিত

আড়াইশ’ চিকিৎসক কিভাবে দেশের সাইকিয়াট্রি বিভাগ সামলাচ্ছেন?

আমি ইউরোপীয়ান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশনের মিটিংয়ে গিয়েছিলাম। পাঁচ দিনব্যাপী এই কংগ্রেসে ছয় হাজারেরও বিশ্ববরেণ্য সাইকিয়াট্রিস্ট উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনেক দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রীরাও উপস্থিত ছিলেন। একশো’রও বেশী স্পিকার ছিলেন, পেপার প্রেজেন্টেশন ছিলো। আমার নিজেরও প্রেজেন্টেশন ছিলো।

সেখানে ইউরোপিয়ান সাইকিয়াট্রিক অ্যাসোসিয়েশন কমিটির মেম্বার ও বেশ কয়েকজন বিশ্ববরেণ্য সাইকিয়াট্রিস্টদের সাথে আমাদের দেশের বর্তমান মানসিক রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা, গ্রুপ আলোচনা হয়েছে। তারা আমাদের দেশের মানসিক রোগের বর্তমান আধুনিক মানসম্মত চিকিৎসা ব্যবস্থা, এর ধারাবাহিকতা, উন্নয়ন জেনে ভূয়সী প্রসংশা করেছেন।

১৮ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে কম হলেও ৩ কোটি মানসিক রোগী রয়েছেন, যারা স্বল্প কিংবা গুরুতর মানসিক রোগে ভুগছেন। এতো অল্প সংখ্যক সাইকিয়াট্রিস্ট মাত্র আড়াই শ’ জন কিভাবে বিপুল জনগোষ্ঠীর এই দেশের সাইকিয়াট্রি বিভাগকে সামলে নিয়ে যাচ্ছেন, কাজ করছেন, এটা তাদের কল্পনার বাহিরে। একই মতামত ব্যক্ত করেছেন আমেরিকান সাইকিয়াট্রিক এসোসিয়েশন কংগ্রেসে আসা সাইকিয়াট্রিস্টরা।

সানফ্রান্সিসকোতে চার দিনব্যাপী এই সায়েন্টিফিক সেমিনারে প্রায় বারো হাজার সাইকিয়াট্রিস্ট উপস্থিত ছিলেন। কয়েক শ’ পেপার প্রেসেন্টেশন ও স্পিকার ছিলেন। সেখানেও আমার প্রেসেন্টেশন ছিলো। তাদের সাথেও আমার আলাপ হয়, গল্প হয় দেশের মানসিক রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা নিয়ে। তারাও  বাংলাদেশের মানসিক রোগের মানসম্পন্ন ও আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির কথা জেনে অনুরূপ প্রসংশা করেন।

বিশেষ করে পাবনা মেন্টাল হসপিটালের কথা তারা সবাই জানেন। জানেন ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মেন্টাল সায়েন্সের কথা। ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব মেন্টাল সায়েন্স (নিমস) ২০০১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন। তিনি তখনও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের কয়েকজন প্রথিতযশা সাইকিয়াট্রিস্টকে তারা বাইনেইম চিনেন।

মানসিক রোগের চিকিৎসাসেবা ব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্যে যে সকল অধ্যাপক অবদান রেখেছেন বা আজও কাজ করে যাচ্ছেন, তাদের সকলে প্রতি রইলো সশ্রদ্ধ স্যালুট।

ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট, জনস্বাস্থ্য গবেষক।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :