আজ মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ০১:৫৭ পূর্বাহ্ন

বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ওটিএ আইসিএ) এসোসিয়েশন এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী আজ

  • নিউজ ডেস্কঃ আজ বাংলাদেশ ওটিএ আইসিএ এসোসিয়েশন এর প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষীকী।

  • ২০১৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর তথা আজকের দিনে বাংলাদেশ মেডিকেল টেকনোলজিষ্ট (ওটিএ এন্ড আইসিএ) এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
    একঝাক তরুন প্রজন্মের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়ে গঠিক কার্যকরী পরিষদ।
    অপারেশন থিয়েটার এসিস্ট্যান্ট ও ইন্টেনন্সিভ কেয়ার এসিস্ট্যান্ট অধিকার, কর্মসংস্থান ও দাবী আদায়ে সোচ্চার ও ঐক্যবদ্ধ এ সংগঠন ।
    প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি হিসেবে অমিত হাসান সানী ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সমিরন মন্ডল দায়িত্ব পালন করছেন৷
    সংগঠনের সভাপতি অমিত হাসান সানী বলেন
    একটি হাসপাতালের সবছেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ হচ্ছে অপারেশন থিয়েটার ও আইসিইউ।
    অপারেশন থিয়েটারে চিকিৎসক এর বাইরেও ওটি স্টাফদেরও অনেক বড় ভুমিকা আছে রোগীর জীবন রক্ষাকারী সেবাপ্রদানে। বিভিন্ন সময় সংবাদ হয়,বিভিন্ন হাসপাতালে ওটিতে মেয়াদউর্তীর্ন ওষুধ, সার্জিক্যাল সামগ্রী পাওয়া যায়, নোংরা অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ, sterility বা জীবাণুমুক্তকরনের কোন বালাই নেই, ভুল ওষুদের কারনে রোগী মৃত্যু, অপারেশন এর পর রোগীর পেটে গজ, ইনস্টুমেন্ট রেখে আসা, sterility মেইনটেইন না করার কারনে ইনফেকশান, ভুল প্লাস্টার এর কারনে পা পচন, বাকা হয়ে যাওয়া, নবজাতকের মৃত্যু, ভুল ইঞ্জেকশান এর কারনে তৎক্ষণাৎ রোগীর মৃত্যু।
    কিন্তু এসবের পিছনের চিকিৎসক এর চেয়েও বেশী দায়ী ওটি স্টাফ। কারন এই কাজ গুলো তারাই করে এবং চিকিৎসক কে ওকে রিপোর্ট দেয়।
    এখন কথা হচ্ছে এই গুরুত্বপূর্ণ ওটি স্টাফ কারা?
    নার্স ও ওটি বয়।এইসকল কাজের ২০-৩০% কাজ করে নার্সরা আর বাকি কাজ করে ওটি বয়েরা,
    যাদের medical science এর প্রতি নেই কোন যোগ্যতা। তাদের অনেকে ৫ম শ্রেনী পাস অনেকে তাও না
    যারা ওষুধ দেই ওষুদের নাম দেখে নয়, গায়ের রঙ দেখে। এই হচ্ছে ঢাকার ৯০% হাসপাতালের ওটির ভিতরের বাস্তবচিত্র।
    বিদেশের ন্যায় বাংলাদেশেও সরকার এই গুরুত্বপুর্ন দায়িত্ব পালনের জন্য ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ রাষ্ট্রীয় চিকিৎসা অনুষদের নিয়ন্ত্রনে ৩ বছর মেয়াদী diploma in medical technology (OTA) এবং diploma in medical technology (ICA) কোর্স চালু করে।
    [ OTA=operation theatre assistant
    ICA=intensive care assistant ]

    এ কোর্সের ছাত্র ছাত্রীরা SSC science ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এসে ইংলিশ মিডিয়াম এ লেখাপড়া করে। লেখাপড়ার পাশাপাশি এবং লেখাপড়া শেষে আলাদাভাবে ইন্টার্নশীপ করে।
    কিন্তু পরিতাপের বিষয় হাসপাতালগুলো তাদের নিয়োগ না দিয়ে স্বল্প বেতনে ৫০০০ – ৬০০০ টাকায় ওইসকল ওটি বয় বা ওয়ার্ড বয়দের দিয়ে কাজ করায়,তাদের দিয়ে সার্জনের সাথে অপারেশনে এসিস্টও করার মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ তারাই করে থাকে ফলে রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি৷ কিছু মুনাফা লোভী চিকিৎসকগন এসকল বিষয়ে মদদ দিয়ে যাচ্ছে, যার ফলে ক্ষতিসাধন হচ্ছে সাধারণ রোগীদের৷
    এ বিষয়গুলোতে সরকার যেনো সুনজর দেয় এবং হাসপাতালগুলোতে ওটিএ আইসিএ নিয়োগের ব্যাপারে এই আশা ব্যাক্ত করেন সংগঠনের সভাপতি অমিত হাসান সানী।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :