আজ মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

Notice: Undefined variable: bnews_options in /home1/medinewsbd/public_html/wp-content/themes/Medinews Theme/header.php on line 146

Notice: Undefined variable: bnews_options in /home1/medinewsbd/public_html/wp-content/themes/Medinews Theme/header.php on line 146

Notice: Undefined variable: bnews_options in /home1/medinewsbd/public_html/wp-content/themes/Medinews Theme/header.php on line 146
«» চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখায় মাদক নির্মূল কমিটি গঠন «» উৎসর্গ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে বরগুনায় শুকনো খাবার বিতরণ !!  «» বরিশাল ‘আই এইচ টি’তে জেলহত্যা দিবসে অধ্যক্ষের উপস্থিতিতে ডিজে পার্টি! «» ভারতের চেয়ে আমাদের স্বাস্থ্যখাত বেশি উন্নত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» বিনা মূল্যের ওষুধ বিক্রি, ফার্মেসি মালিককে জরিমানা «» মাতৃমৃত্যু কমাতে হলে সিজারের সংখ্যাও কমাতে হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী «» মাতৃস্বাস্থ্যে বিশেষ অবদানস্বরূপ ৩ মেডিকেল কলেজকে বিশেষ সম্মাননা «» কিংবদন্তি চিকিৎসক এম আর খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ «» স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে হবে আলাদা মেডিকেল ইউনিট «» খুলনা মেডিকেলে ডেঙ্গুতে নারীর মৃত্যু

কিংবদন্তি চিকিৎসক এম আর খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসার জনক জাতীয় অধ্যাপক ডা. এম আর খানের তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৬ সালের এইদিনে মৃত্যুবরণ করেন ক্ষণজন্মা এই চিকিৎসক।

জীবদ্দশায় তিনি বিভিন্ন শিশু বিষয়ক সংগঠন, সংস্থা ও হাসপাতালের সঙ্গে জড়িত থাকার পাশাপাশি নিজ উদ্যোগে শিশুদের কল্যাণে একটি ট্রাস্ট গঠন করেন। নিজের এলাকার দরিদ্র ও অসহায় মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য নিরবে কাজ করে গেছেন তিনি।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সাময়িকীতে এম আর খানের ৩৭টি গবেষণাধর্মী রচনা প্রকাশিত হয়েছে। শিশুরোগ চিকিৎসা সংক্রান্ত সাতটি বই লিখেছেন, যেগুলো দেশে ও বিদেশে প্রশংসিত।

একনজরে অধ্যাপক ডা. এম আর খান:

১৯২৮ সালের এক আগস্ট সাতক্ষীরা শহরতলীর রসুলপুর গ্রামে জন্ম মোহাম্মদ রফি খানের। যদিও কর্মজীবনে তিনি এম আর খান নামেই বেশি পরিচিতি ছিলেন।

পৈতৃক সূত্রে পাওয়া প্রায় সব সম্পত্তিই দান করেছেন তিনি। খরচ করেছেন গরিবদের চিকিৎসার পাশাপাশি সাতক্ষীরা জেলার মানুষের জন‌্য।

আব্দুল বারী খান ও জায়েরা খানমের চার ছেলের মধ্যে তিনি ছিলেন সন্তান। এম আর খানের পড়ালেখার হাতে খড়ি মায়ের কাছে। পরবর্তীতে সাতক্ষীরা সদরের প্রাণনাথ উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয় (পিএন স্কুল) থেকে ১৯৪৩ সালে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হন।

সেখান থেকে ১৯৪৫ সালে প্রথম বিভাগে আইএসসি পাস করেন তিনি; এরপর কলকাতা মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৫২ সালে এমবিবিএস পাস করে সাতক্ষীরায় ফিরে আসেন।

১৯৫৪ সালের এক জানুয়ারি দূর সম্পর্কের আত্মীয় আনোয়ারা বেগম আনুর সঙ্গে এম আর খানের বিয়ে হয়। পরের বছর উচ্চ শিক্ষার জন্য সস্ত্রীক বিদেশে পাড়ি জমান তিনি।

বর্ণাঢ্য কর্মজীবন

বিদেশে পড়াশোনা শেষ করে ১৯৫৭ থেকে ১৯৬২ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টার কেন্ট ও এডিনবরা গ্রুপ হাসপাতালে যথাক্রমে সহকারী রেজিস্ট্রার ও রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

দেশে ফিরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক পদে যোগ দেন এম আর খান। ১৯৬৯ সালে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিশু বিভাগে যোগ দিয়ে পরের বছর অধ্যাপক হন।

১৯৭১ সালে তিনি ইনস্টিটিউট অব পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিসিন অ্যান্ড রিসার্চ-আইপিজিএমআরের (বর্তমানে বিএসএমএমইউ) অধ্যাপক ও ১৯৭৩ সালে এই ইনস্টিটিউটের যুগ্ম-পরিচালকের দায়িত্ব পান।

ডা. খান ১৯৭৮ সালের নভেম্বরে ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালকের পদে যোগ দেন। শিশুদের জন‌্য বিশেষায়িত এই হাসপাতাল প্রতিষ্ঠায়ও তার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। ওই বছরই আবার আইপিজিএমআরের শিশু বিভাগে যোগ দেন তিনি।

দীর্ঘ চাকরি জীবন শেষে ১৯৮৮ সালে অধ্যাপক এম আর খান অবসর নেন। তবে চিকিৎসা সেবা দিয়ে যান তিনি।

কাজের স্বীকৃতি 

এম আর খান শিশুরোগ চিকিৎসা ও সমাজ সেবার ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন।

১৯৮৭ সালে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজে বায়োগ্রাফিক্যাল সেন্টার থেকে প্রকাশিত প্রকাশনায় তার জীবনপঞ্জি অন্তর্ভুক্ত হয়।

১৯৯১ সালে ম্যানিলাভিত্তিক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের অ্যাসোসিয়েশন অব পেডিয়াট্রিকস থেকে পদক পান তিনি।

১৯৯২ সালে তিনি শেরে বাংলা জাতীয় স্মৃতি সংসদ কর্তৃক স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।

তিনি দেশ-বিদেশে উল্লেখযোগ্য মেডিকেল কলেজের উচ্চতর ডিগ্রি/সম্মান দেওয়ার ক্ষেত্রে পরীক্ষক হিসেবেও কাজ করছেন। বাংলাদেশে শিশু স্বাস্থ্যের ওপর এফসিপিএস, ডিসিএইচ ও এমসিপিএস (MCPS) ডিগ্রি পরীক্ষার পরীক্ষক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

ধানমণ্ডির ৩ নম্বর সড়কে নিজের বাসভবনে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন নিবেদিতা মেডিকেল ইনস্টিটিউট অ্যান্ড রিসার্চ লিমিটেড।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :