আজ সোমবার, ২৫ মার্চ ২০১৯, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন,

আই.এইচ.টি বনাম কারিগরি কোর্সের কিছু ভুল ত্রুটি

আই.এইচ.টি বনাম কারিগরি কোর্সের কিছু ভুল ত্রুটি আমি যতটুকু জানি তার সমন্বয়ে লিখার চেষ্টা করেছি এবং ভুল কিছু লিখলে খারাপ কমেন্ট না করে ইনবক্স করবেন ইনশাআল্লাহ ঠিক করে দিব।

প্রথমেই কারিগরি শিক্ষাবোর্ড নিয়ে শুরু করা যাক।
সমস্যা-১ঃ ভর্তি যোগ্যতা যে কোন বিভাগ হতে অথাৎ সাইন্স আরস, কমার্স ও ভোকেশনাল থেকে ২.৫ পেয়ে থাকলেই সে ভর্তি হতে পারবে।
সমস্যা-২ঃ যে কোন সালে এস.এস.সি পাশ করলেই আপনি ভর্তি হতে পারবেন।
সমস্যা-৩ঃ বোর্ড আছে রের্জিষ্টেশন নাই।

আই.এইচ.টি এর সমস্যা
সমস্যা-১ঃ কোন বোর্ড নাই রেজিষ্টেশন নাই। ফার্মেসী ব্যতিত।
সমস্যা-২ঃ পাস করার পর কোন গ্রেড পয়েন্ট নাই।
আমরা যারা আই.এইচ.টিতে পড়ি আমরা বলছি আমরা কষ্ট করে সাইন্সে পড়ে ভর্তি যুদ্ধ করে ভর্তি হলাম। আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আন্ডারে ডিপ্লোমা যেকোন বিভাগ হলেই ভর্তি হওয়া যায়। কারিগরি ভাইয়েরা বলে যে তারা ডিপ্লোমা কারিগরি টেকনোলোজিতে ভর্তি হওয়ার পর সাইন্সের সব সাবজেক্ট পড়ে এখানে আমার প্রশ্ন হচ্ছে কেউ যদি এস.এস.সিতে কমার্স নিয়ে ভর্তি হলো সে কি কখনো ইন্টারে সাইন্স নিতে পারবে, পারবে না কেন পারবে না । মানলাম আপনি ভাল ছাত্র কিন্তু কোন কারন বসত এস.এস.সিতে কমার্স নিয়ে ভাল রেজাল্ট করেছেন কিন্তু ইন্টারে কি আপনি সাইন্সে ভর্তি হতে পারবেন অবশ্যই পারবেন না । তাহলে আপনারা কেমনে ভর্তি হলেন। আপনাদের খারাপ দিক হলো যে কোন সালের যে কেউ ভর্তি হতে পারে কারিগরি কোর্সে অর্থাৎ বাবা-দাদার সাথে আপনিও একসাথে পড়ার সুযোগ পাবেন। যেটা শুধুমাত্র উন্মুক্ত এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

আরও পড়ুন :  ১০ বছর ধরে কিডনি প্রতিস্থাপন বন্ধ জাতীয় কিডনি ইনস্টিটিউটে

আর তাছাড়া আপনি ডিপ্লোমা পলিটেকনিকে ভর্তি হতে গেলে দেখবেন ওইখানে যেকোন সালের সবাই ভর্তি হতে পারে না তাহলে বৈষম্য কেন?
অন্যান্য দেশ যেমন ইন্ডিয়ায় ডিপ্লোমা মাত্র ২ বছর। মান হচ্ছে ইন্টার সমমান।
লিংকটি – https://targetstudy.com/courses/diploma-in-medical-laboratory-technology-dmlt.html
আই.এইচ.টিতে আমরা যারা পড়ি আমরা যারা বোর্ডের আন্ডারে পড়ি তা সরকার স্বীকৃত কিন্তু কোন বোর্ডের আন্ডারে নয় তারমানে গোড়ায় গলদ।
অথাৎ কোন প্রতিষ্ঠানই ১০০% সঠিক নয়।
বিঃ দ্রঃ আমরা উপরিউক্ত তথ্যাদি দেখে বুঝলাম বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় দূনীতি সবচেয়ে বেশি তাই আমার মতে আই.এইচ.টি ও কারিগরি ভাইদের এক ছাতার নিচে এসে একটা বোর্ডের আন্ডারে এসে ভুল ত্রুটি সংশোধন ও সমযোতার মাধ্যমেই টেকনোলোজিষ্টদের স্বপ্ন পূরন হতে পারে। অন্যন্থায় এই টেকনোলোজিষ্ট জাতিকে কেউই চিনবে না এবং দাম দিবে না।
লেখক:

কারিমুন ইসলাম শুভ

মেডিকেল টেকনোলজিস্ট।

আপনার মন্তব্য লিখুন :

আরও পড়ুন :

সংবাদটি শেয়ার করুন :