আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০১৯, ১১:৪৬ অপরাহ্ন

বেকারত্বের অভিশাপে দিন কাটাচ্ছে ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারগণ

২০০৫ সালে নয়টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল টেকনোলজি কোর্স চালু করার পর এখন পর্যন্ত প্রায় ছয় হাজার শিক্ষার্থী পাশ করেছেন। সেই সঙ্গে সারাদেশে আরও প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার (৫,৫০০) শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। কিন্তু কোর্সটি চালু করার পর থেকে এখন পর্যন্ত কোনো কর্মক্ষেত্রে সৃষ্টি করা হয়নি। এমনকি এই খাতে কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করা হচ্ছে- এমন কোন তথ্যও নেই। এই শিক্ষার্থীদের এমন একটি কারিগরি শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে জড়িত করা হয়েছে, যার পর্যাপ্ত সম্ভাবনা থাকা স্বত্তেও শুধু সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার অভাবে কর্মক্ষেত্রের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে বেকারত্ব ও হতাশায় আচ্ছন্ন এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে,

দেশের বিভিন্ন সরকারি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, জেলা সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সিএমএসডি, এয়ারপোর্ট (কাস্টমস) সি-পোর্ট (কাস্টমস), নিমিউ অ্যান্ড টিসি, আধা-সরকারি হাসপাতাল সমূহে কোটি কোটি টাকা মূল্যের ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি সমূহ স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের জন্য দক্ষ ও উপযুক্ত জনবল সৃষ্টির উদ্দেশে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল টেকনোলজি কোর্স চালু করা হয়েছিল। এই সমস্ত মুল্যবান সরকারি যন্ত্রপাতি স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামতের দায়িত্ব ও অধিকার ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল প্রকৌশলীদের।

পরিতাপের বিষয় হলো বর্তমানে ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল প্রকৌশলী বিদ্যমান থাকা স্বত্তেও অন্য প্রকৌশলীদের দ্বারা এসব মূল্যবান সরকারি যন্ত্রপাতি স্থাপন, রক্ষণাবেক্ষণ ও মেরামত করানো হচ্ছে, যাদের ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল যন্ত্রপাতি সম্পর্কীয় তত্বীয় ও ব্যবহারিক উপযুক্ত জ্ঞান নেই। ফলে এসব মূল্যবান সরকারি যন্ত্রপাতি আশানুরূপ সময়ের আগেই কার্যক্ষমতা হারাচ্ছে। ফলে সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে দেশ ও দেশের মানুষ।

আরও পড়ুন :  আমি আমার মায়ের মত হতে চাই- শুদীপন চক্রবর্তী

বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পেতে সংশ্লিষ্ট সকল প্রতিষ্ঠানে ডিপ্লোমা ইন ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ইলেক্ট্রো-মেডিক্যাল)- নন-ক্যাডার পদ যেন সৃষ্টি হয় সেজন্য এর গুরুত্ব ও প্র‍য়োজনীয়তা সম্পর্কে আপনার বহুল প্রচারিত সংবাদ মাধ্যমে প্রচারের জন্য আকুল আবেদন যানাচ্ছি।

অশেষ শ্রদ্ধান্তে,
মোঃ আরিফুর রহমান
সাধারণ সম্পাদক, DEMEA

আপনার মন্তব্য লিখুন :

আরও পড়ুন :

সংবাদটি শেয়ার করুন :