আজ শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯, ১২:৩২ পূর্বাহ্ন

নার্সদের বকেয়া সিলেকশন গ্রেড আদায়ে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি

তিন বছরেরও বেশি সময়ের বকেয়া সিলেকশন গ্রেড বঞ্চিত নার্সদের বকেয়া আদায়ের লক্ষ্যে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট ‘বকেয়া সিলেকশন গ্রেড আদায় কমিটি’ গঠন করেছে। জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালের নার্স হামিদা বেগমকে আহ্বায়ক করে ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নার্স মোহাম্মদ আতাউল করিম (অপু), মনোয়ারা বেগম, এস এম আজাদ ও হারুন অর রশীদকে (দিপু) যুগ্মআহ্বায়ক করে এ কমিঠি গঠিত হয়।

মঙ্গলবার রাজধানী শেরে বাংলা নগরে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতালে নার্সিং কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সাধারণ নার্সদের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

এ কমিটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য সিনিয়র নার্স নেতাদের সমন্বয়ে তিন সদস্যের উপদেষ্টা পরিষদ গঠিত হয়েছে। তাদের বুদ্ধি,পরামর্শ ও মতামতের ভিত্তিতে কমিটির সার্বিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তিন সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটিতে রয়েছেন স্বাধীনতা নার্সেস পরিষদের (স্বানাপ) কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান, মহাসচিব ইকবাল হোসেন সবুজ ও বাংলাদেশ নার্সিং পরিষদের (বিএনএ) ঢামেক হাসপাতাল শাখার সভাপতি কামাল হোসেন পাটোয়ারী।

উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ জানান, তিন বছরের বেশি সময় ধরে বাংলাদেশ সরকারের নার্সিং অফিসাররা সিলেকশন গ্রেড বঞ্চিত। বকেয়া সিলেকশন গ্রেড আদায়ের লক্ষে নার্স নেতারা রাজধানীসহ সারাদেশে সভাসমাবেশ-মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করলেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়েনি। এ কারণেই তারা সম্মিলিত আন্দোলনের মাধ্যমে দাবি আদায়ে সারাদেশের হাসপাতালের নার্সদের সমন্বয়ে বকেয়া সিলেকশন গ্রেড আদায় কমিটি গঠন করেছেন।

৪১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী পরিষদে যারা রয়েছেন :

১. আহ্বায়ক- হামিদা বেগম, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, ঢাকা।

২. যুগ্মআহ্বায়ক- মোহাম্মদ আতাউল করিম (অপু), ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

৩. যুগ্মআহ্বায়ক- মনোয়ারা বেগম, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

৪. যুগ্মআহ্বায়ক- এস এম আজাদ, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

৫. যুগ্মআহ্বায়ক- হারুন অর রশীদ (দিপু), ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

৬. সদস্য সচিব- মোহাম্মদ আওলাদ হোসেন, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।(প্রেষণে নিয়ানার এম এস এন কোর্স)

৭. যুগ্ম সচিব- মোহাম্মদ হাদিউল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

নির্বাহী সদস্যবৃন্দ:

আরও পড়ুন :  ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের অপমান : ''এই তোরা এপ্রোন পরছিস কেন''!

৮. মোহাম্মদ ফারুক হোসেন, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

৯. সালমা আফরোজ লিলি, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১০. রাজিয়া বেগম, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১১. স্বপ্না সরকার, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১২. রোকসানা সরকার, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১৩. সালমা খাতুন, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১৪. নুর মোহাম্মদ, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১৫.  ইসমাইল হোসেন, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১৬. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

১৭. মোহাম্মদ মনির হোসেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

১৮. মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

১৯. মাসুদ পারভেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা।

২০. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল, ঢাকা।

২১. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল, সিলেট।

২২. আকতারুজ্জামান, সিলেট নার্সিং কলেজ, সিলেট।

২৩. শামিমা নাসরিন, সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল, সিলেট।

২৪. মোহাম্মদ আলমগীর কবির মিটফোর্ড হাসপাতাল ঢাকা।

২৫. নাজমুল কাদের সানী, শহীদ সোহওয়ার্দী হাসপাতাল, ঢাকা।

২৬. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, ঢাকা ডেন্টাল হাসপাতাল মিরপুর, ঢাকা।

২৭. মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জাতীয় মানসিক ইনস্টিটিউট হাসপাতাল, ঢাকা।

২৮. মোহাম্মদ বাহালুল, জাতীয় মানসিক ইনস্টিটিউট হাসপাতাল ঢাকা।

২৯. হাসিবুজ্জামান নিটোর, ঢাকা।

৩০. আলা উদ্দীন, ইবনে আবু তালেব আই ডি হাসপাতাল, ঢাকা।

৩১. ইব্রাহীম খলিলুল্লাহ, রাজশাহী মেডিকেল, রাজশাহী।

৩২. মালবিকা উম্মে লতা, রাজশাহী মেডিকেল, রাজশাহী।

৩৩. ফোরকান আলী, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রংপুর।

৩৪. রতন কুমার নাথ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম।

৩৫. জয় প্রিয় বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম।

৩৬. লাভলু বড়ুয়া, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম।

৩৭. জেসমিন নাহার, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা।

৩৮. কল্পনা রানী পাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা।

৩৯. মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান, মাদারীপুর জেনারেল হাসপাতাল, মাদারীপুর।

৪০. মিঠু গোলপার, রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতাল, রাঙামাটি।

৪১. মোহাম্মদ শাহ আলম, বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বরিশাল।

সৌজন্যে : মেডিভয়েস।

আপনার মন্তব্য লিখুন :

আরও পড়ুন :

সংবাদটি শেয়ার করুন :