আজ শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেনের দুর্নীতির বিষয়ে অধিদপ্তরের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ছয়জনের বক্তব্য শুনতে অধিদপ্তরে যায় দুদকের একটি দল।

ছয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী হলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিচালক ডা. মো. আবদুর রশীদ, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (পিএম) ডা. মো. ইউনুস, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ডিপিএম) ডা. কামরুল কিবরিয়া, প্রধান সহকারী আবদুল মালেক ও উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলম।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কমিশনের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশের সমন্বয়ে গঠিত ওই দল অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের জন্য আসবাবপত্র কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য শুনতে গত ৮ মে তাদের কাছে চিঠি পাঠায় দুদক। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নথিপত্রও প্রস্তুত রাখতে অনুরোধ করা হয়েছিল ওই চিঠিতে।

রোববার রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি দুদককে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। ঘটনাটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হলেও সেখানকার দুর্নীতির দায় তার নয়।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে সরকারের সাড়ে ৩৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেন ও তার স্ত্রীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অন্য ৮ আসামি হলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. আবদুর রশীদ, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সুবাস চন্দ্র সাহা, সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, কলেজের হিসাবরক্ষক হুররমা আক্তার খুকী, কক্সবাজার জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সুকোমল বড়ুয়া, একই দপ্তরের সাবেক এসএএস সুপার সুরজিত রায় দাশ, পংকজ কুমার বৈদ্য এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলম।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :