আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ৬ কর্মকর্তাকে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেনের দুর্নীতির বিষয়ে অধিদপ্তরের ছয় কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ছয়জনের বক্তব্য শুনতে অধিদপ্তরে যায় দুদকের একটি দল।

ছয় কর্মকর্তা ও কর্মচারী হলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, পরিচালক ডা. মো. আবদুর রশীদ, প্রোগ্রাম ম্যানেজার (পিএম) ডা. মো. ইউনুস, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (ডিপিএম) ডা. কামরুল কিবরিয়া, প্রধান সহকারী আবদুল মালেক ও উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলম।

দুদকের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা প্রণব কুমার ভট্টাচার্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কমিশনের চট্টগ্রাম-২ সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাহবুবুল আলম ও সহকারী পরিচালক রতন কুমার দাশের সমন্বয়ে গঠিত ওই দল অভিযোগের বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের জন্য আসবাবপত্র কেনাকাটা সংক্রান্ত দুর্নীতির বিষয়ে বক্তব্য শুনতে গত ৮ মে তাদের কাছে চিঠি পাঠায় দুদক। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নথিপত্রও প্রস্তুত রাখতে অনুরোধ করা হয়েছিল ওই চিঠিতে।

রোববার রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কার্যালয়ে দুদকের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ সাংবাদিকদের বলেন, তিনি দুদককে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করছেন। ঘটনাটি কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হলেও সেখানকার দুর্নীতির দায় তার নয়।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি কিনে সরকারের সাড়ে ৩৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গত ২৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও জনশক্তি উন্নয়ন শাখার হিসাবরক্ষক আবজাল হোসেন ও তার স্ত্রীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

মামলার অন্য ৮ আসামি হলেন: স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চিকিৎসা শিক্ষা ও স্বাস্থ্য জনশক্তি উন্নয়ন বিভাগের সাবেক পরিচালক ও লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. আবদুর রশীদ, কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ সুবাস চন্দ্র সাহা, সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ রেজাউল করিম, কলেজের হিসাবরক্ষক হুররমা আক্তার খুকী, কক্সবাজার জেলা হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা সুকোমল বড়ুয়া, একই দপ্তরের সাবেক এসএএস সুপার সুরজিত রায় দাশ, পংকজ কুমার বৈদ্য এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক উচ্চমান সহকারী খায়রুল আলম।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :