আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

যৌন ভেষজ ওষুধ ব্যবসা : ৫০ হাজার টাকার জিনসেং-এর দাম রাতারাতি হয়ে গেল দুই কোটি টাকা

যৌন ভেষজ ওষুধ ব্যবসা নিয়ে রমরমা সারা বিশ্ব জুড়ে। এই ব্যবসায় প্রতারণার পাশাপাশি ঘটে অনেক অবিশ্বাস্য ঘটনা।

ভেষজ ভায়াগ্রা হিসাবে জিনসেং মূলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে গোটা বিশ্বে। যৌন উত্তেজনা বাড়াতে জিনসেং মূলের জুড়ি মেলা ভার! আর এই মূল জঙ্গলে কাঠ কাটতে গিয়ে খুঁজে পান দুই কৃষক। জঙ্গলের মধ্যে থেকে পাওয়া ওই জিনসেং মূলটির ওজন প্রায় ১১৩ কেজি। বিশাল আকৃতির এই মূলটির ঔষধিগুণ সম্পর্কে জানা থাকলেও বিশ্ব বাজার এর দাম সম্পর্কে তেমন কোনও ধারণাই ছিল না ওই দুই কৃষকের। ১১৩ কেজি ওজনের ওই জিনসেং মূলটি স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে নিয়ে যান তাঁরা। এত বড় জিনসেং মূলের খরব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। খবর পেয়ে এই মূলটি প্রায় ৫৪ হাজার টাকায় ওই দুই কৃষকের থেকে কিনতে চান স্থানীয় এক ব্যবসায়ী। এই মূলের এত দাম পাওয়া যাবে, তা স্বপ্নেও ভাবেননি তাঁরা। ফলে এক কথায় রাজি হয়ে যান এবং নগদ টাকা হাতে পেয়ে খুশিতে নাচতে নাচতে ঘরে ফেরেন দু’জন। দু’টি পরিবারে তখন উত্সবের চেহারা। খুশিতে দিশেহারা ওই দুই কৃষক ও তাঁদের আত্মীয়স্বজন।

এ দিকে ওই ১১৩ কেজি ওজনের জিনসেং মূলটি ওই ব্যবসায়ী শহরের এক ভেষজ জড়িবুটির বড় আড়তদারকে প্রায় ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেন। গল্প অবশ্য এখানেই থেমে থাকেনি। দৈত্যাকার ওই মূলটি বেচে দেন ওই আড়তদারও। তিনি ওই জিনসেং মূলটি শহরের এক বিত্তবান ওষুধ নির্মাতা সংস্থার মালিকের হাতে তুলে দেন প্রায় ২ কোটি ১০ লক্ষ টাকার বিনিময়ে।

সম্প্রতি এই ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ পশ্চিম চিনের সি চুয়ান প্রদেশের গুয়াং ডনের পাশের একটি গ্রামে। গ্রামের ওই দুই কৃষকের নাম লিপং আর পিনিং। বিপুল অঙ্কের বিনিময়ে ১১৩ কেজি ওজনের দৈত্যাকার ওই জিনসেং মূলটি যে ব্যক্তি কিনেছেন, তিনি এটি থেকে আরও লাভ করবেন। যে আড়তদার ৪ লক্ষ ৯০ হাজার টাকায় এই মূলটি কেনেন, তিনিও ২ কোটি ৫ লক্ষ ১০ হাজার টাকা লাভ করেছেন। গুয়াং ডনের ওই স্থানীয় ব্যবসায়ীও প্রায় ৪ লক্ষ ৩৬ হাজার টাকা রাতারাতি লাভ করেছেন। এ দিকে লিপং আর পিনিং হয়তো আক্ষেপে বুক চাপড়াচ্ছেন!  কোটি টাকার দুষ্প্রাপ্য জিনসেং মূলের মূল্য না জেনে তাঁরা যে জলের দরে বেচে দিয়েছেন। আক্ষেপ হওয়াটাই তো স্বাভাবিক!

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :