আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

মানব মৃতদেহ থেকে জৈব সার তৈরি চালু আমেরিকায়

প্রচলিত সব প্রথা, ধ্যাণ ধারণা ও বিশ্বাসগুলো ভেঙে পড়ছে। মানব মৃতদেহ দাফনের বা ভস্মীভূত করার প্রথার বিকল্প হিসেবে অধিক পৃথিবী কল্যানী কর্মসূচি চালু হচ্ছে নানা দেশে।

মৃতদেহকে জৈব সার তৈরির কাজে ব্যবহার করার প্রথা আমেরিকাতেও চালু হল। এ নিয়ে প্রয়োজনীয় আইন পাশ হল মার্কিন মুলুকে৷ এই আইন অনুযায়ী, মৃত্যুর পর নিজের শরীরকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে কম্পোস্ট সার তৈরির নির্দেশ দিয়ে যেতে পারবেন। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর৷ রিপোর্টে বলা হয়েছে, মানব শরীর দিয়ে এই কম্পোস্ট বা জৈব সার তৈরির অনুমতি দিয়ে একটি আইনের অনুমোদন করেছে ওয়াশিংটন রাজ্য। এখানকার গভর্নর জে ইনস্লে স্বাক্ষর করার পর বিলটি আইনে পরিণত হয়েছে।

মানব মৃতদেহকে সারে পরিণত করার প্রক্রিয়াটি এরমধ্যেই সুইডেনে আইনসিদ্ধ করা হয়েছে। কোন বাক্স বা কফিন ছাড়া মৃতদেহ সমাধির প্রাকৃতিক সমাধি প্রক্রিয়া ব্রিটেনে আইনগত বৈধতা পেয়েছে।

প্রচলিত রীতির কবর দেয়ার বিকল্প হিসেবে এই পদ্ধতিকে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব শহরে কবরস্থানের বা নতুন করে কবর দেয়ার সংকট তৈরি হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এটি একটি বিকল্প সমাধান হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মাটির সঙ্গে মিশে মৃতদেহ সারে পরিণত হওয়ার পর, সেই মাটি তার প্রিয়জনদের দেয়া হবে, যাতে তারা ফুলগাছ, সবজির চারা বা বৃক্ষ রোপণ করতে পারেন।

বিবিসি রিপোর্টে বলা হয়েছে- বিলের পক্ষে আন্দোলনকারী ক্যাটরিনা স্পাড এএফপিকে বলেছেন, ‘সাধারণ কবর দেয়ার বদলে এরকম মাটির সাথে মিশে যাওয়ার বিকল্প পদ্ধতি হবে প্রাকৃতিক, নিরাপদ, স্থায়ী এবং পৃথিবীর ভূমির ব্যবহার ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে ভূমিকা রাখবে।

কী সেই পদ্ধতি :

ছয় কোণ বিশিষ্ট একটি ইস্পাতের বাক্সে কাঠের টুকরো আর খড়কুটো দিয়ে মৃতদেহ রাখা হবে। এরপর সেই বাক্সটি বন্ধ করে দেয়া হবে। এক মাসের মধ্যে সেই মৃতদেহ পচে যাবে এবং মাটিতে পরিণত হবে। পরিবেশ-বান্ধব সমাধি প্রকৃতি দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

জানা গেছে, প্রয়াত অভিনেতা লুক পেরিকে ক্যালিফোর্নিয়ার একটি ‘মাশরুম স্যুইটে’ সমাধিস্ত করা হয়েছে।এই স্যুইটের নির্মাতা জে রাইম লি বলেছেন, যখন কোন মৃতদেহ মাটিতে সমাধি দেয়া হয় বা পুড়িয়ে ফেলা হয়, তখন যে বিষাক্ত গ্যাস পরিবেশে মেশে, এই প্রক্রিয়ার ফলে সেটি কমে যাবে।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :