আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

ফার্মাসিস্ট থেকেই এমবিবিএস চিকিৎসক!

চিকিৎসক না হয়েও এমবিবিএস চিকিৎসক পরিচয়ে রোগীদের প্রতারণা অভিযোগে হেদায়েত উল্লাহ নামক এক ভুয়া চিকিৎসককে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। সোমবার দুপুরে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক মো. আমিনুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠান।

জানা যায়, হেদায়েত পার্শ্ববর্তী বাবুগঞ্জ উপজেলার আগরপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। পাশাপাশি গৌরনদীতে আনোয়ারা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা করে আসছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন জটিল রোগীদের চিকিৎসক পরিচয়ে চিকিৎসা সেবাসহ প্রসূতি মা ও অন্যান্য রোগীদের অপারেশন করে আসছিলেন।

গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহাবুবুর রহমান জানান, আনোয়ারা ক্লিনিকে আগত জটিল রোগীদের প্রতারণা করে নিজেকে এমবিবিএস চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে চিকিৎসা সেবাসহ প্রসূতি মা ও অন্যান্য রোগীদের অপারেশন করে আসছেন।

উল্লেখ্য, উপজেলার বাঘার গ্রামের বিমল রায় তার স্ত্রী অনিতা রায়ের প্রসব বেদনা উঠলে রোববার রাত ১১টা দিকে ওই ক্লিনিকে আসেন। এ সময় কর্তব্যরত চিকিৎসককে খুঁজতে থাকলে হেদায়েত উল্লাহ নিজেকে চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে ক্লিনিকে ভর্তি হতে পরামর্শ দেন। রোগীর স্বজনরা হেদায়েত উল্লাহকে পূর্ব থেকে চেনার কারণে অনিতাকে নিয়ে ক্লিনিক থেকে বের হয়ে অন্য ক্লিনিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

এ সময় হেদায়েত উল্লাহ ও তার ক্লিনিকের স্টাফরা রোগী এবং স্বজনদের আটকে দেয়। এ নিয়ে রোগীর স্বজনদের সাথে হেদায়েত উল্লাহ ও তার ক্লিনিকের স্টাফদের সাথে বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে রোগী ও তার স্বামীকে মারধর করা হয়। এ ঘটনা গৌরনদী মডেল থানাকে জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে রোগী ও স্বজনদের উদ্ধার এবং অভিযুক্ত হেদায়েত উল্লাহকে আটক করে।

এ ঘটনায় বিমল রায় বাদি হয়ে গৌরনদী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় হেদায়েতকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠান।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :