আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

খালি পেটে বেশি লিচু খেলে এনসেফালাইটিস সিনড্রোম হতে পারে

মধুমাস, লিচু খেতে খুব মজা আর বাচ্চাদের তো কথাই নেই, খোসা ছাড়াও আর মুখে পুরে দাও! কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণায় প্রমাণিত যে গত কয়েক বছর লিচু খেয়ে বাচ্চাদের encephalitis রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা কীটনাশক বা বাদুর চাটা নয়, বরং লিচু নিজেই এর জন্য দায়ী। সমস্যাটিকে বলা হচ্ছে AES ( Acute Encephalitis Syndrome) যার অনেক কারণের মধ্যে lychee toxicity ( acute hypoglycemic toxic encephalopathy) একটি।

ঘটনা হচ্ছে লিচুতে থাকা কিছু টক্সিন ( Hypoglycin A, MCPG) যা আমাদের শরীরে গ্লুকোজ তৈরী হওয়া (gluconeogenesis) ও beta oxidation of fatty acid এ বাধা দেয়। অনেক সময় শিশুরা রাতে না খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে, সকালে উঠে একসাথে অনেকগুলো লিচু খেয়ে ফেলে। বিশেষ করে যেসব শিশু হাল্কা পাতলা গড়নের বা অপুষ্টিজনিত সমস্যা আছে ও বয়স ২ থেকে ১০ বছরের মধ্যে, তাদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশী।

এতে শরীরে গ্লুকোজ এর হঠাৎ অভাব দেখা দেয় এবং ব্রেইন এ এই টক্সিন ( neurotoxin) গুলোর প্রভাব হয়। Metabolic acidosis হয়। ফলশ্রুতিতে মাথাব্যথা, ঘাম হওয়া, খিচুনি, বমি, অজ্ঞান ও অবশ হয়ে যাওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

বিশেষ করে রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ময়মনসিংহ, নারায়ণগঞ্জ এসব জায়গায় যেখানে লিচু চাষ হয় সেখানে দরিদ্র পরিবার এর, লিচু চাষীদের শিশুরা আক্রান্ত হয় বেশি। আধাপাকা, কাঁচা লিচুতে হওয়ার সম্ভাবনা বেশী থাকে।

চিকিৎসার জন্য আক্রান্ত শিশুকে অবিলম্বে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠাতে হবে। সেখানে শরীরে দ্রুত গ্লুকোজ প্রতিস্থাপন, খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ, শরীরে লবণ, পানির ভারসাম্য রক্ষা ও পিএইচ লেভেল মেইনটেইন করার জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা করা হবে। অন্য কোন কারণে হলো কিনা সেটাও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে বোঝা যাবে।

ঠিক কয়টি লিচু খেলে এই সমস্যা হবে তার নির্ধারিত সংখ্যা রিসার্চ এ নির্নীত হয়নি। তবে ভরা পেটে দিনের বেলা বাচ্চারা ৫ / ৬ টি লিচু একসাথে খেলে সমস্যা হওয়ার কথা না।

তাই আক্রান্ত হওয়ার আগে সচেতন থাকাই ভাল। সুস্থ থাকুক সকল শিশু।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :