আজ বৃহস্পতিবার, ২০ Jun ২০১৯, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
«» ” উৎসর্গ ফাউন্ডেশন, শ্যামলী ম্যাটস শাখার পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতা “ «» “উৎসর্গ ফাউন্ডেশ, বাংলাদেশ স্বেচ্ছাসেবী মিলনমেলা রেজিস্ট্রেশনের শেষ তারিখ ৩০শে জুন “ «» ব্যথানাশক ঔষুধ ছাড়াই বিকল্প ম্যাজিক পেইন কিলার! «» বাংলাদেশের বাজারে মেয়াদোত্তীর্ণ সব ওষুধ এক মাসের মধ্যে ধ্বংস করার আদেশ দিয়েছে আদালত «» নিজের চেম্বার নেই : রকে বসে প্রতিদিন শত রোগী দেখেন গরীবের ডাক্তার «» আমি এসেছি বাংলাদেশ থেকে বিদেশে রোগী যাওয়া বন্ধ করতে : ডা. দেবী শেঠী «» চিকিৎসকদের সুরক্ষায় কড়া আইন করছে ভারত : হাসপাতালে বিশেষ নিরাপত্তাবলয় «» রেশম দিয়ে কৃত্রিম ধমনি : যুগান্তকারী আবিষ্কার বাঙালি চিকিৎসক-গবেষকদের «» নিজের টাকায় শিশুদের জীবন দান করা ডা. কফিল খান বকেয়া বেতনও পাচ্ছেন না «» ডাক্তারদের আত্মরক্ষা আন্দোলনের জেরে হাসপাতালগুলো এবার পুলিশি সুরক্ষা পেল

বরখাস্ত হলেন ত্রিপুরার স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণকে মন্ত্রিসভা থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে রাজ্য সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

টানা ২৫ বছর সিপিএম শাসনের অবসানের মধ্য দিয়ে গত বছর ত্রিপুরায় ক্ষমতায় আসে বিজেপি ও আইপিএফটি জোট। গত বছরের ১০ মার্চ বিপ্লব দেবের নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। সেখানে সাবেক কংগ্রেসিরাই সবচেয়ে বেশি জায়গা দখল করে নেন।

এই মন্ত্রিসভায় স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, পানীয় জল ও নিকাশব্যবস্থা, বিজ্ঞান ও পরিবেশ দপ্তরের দায়িত্ব পান সুদীপ রায় বর্মণ। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্যের জেরে এ পদ হারান সুদীপ রায় বর্মণ।

টানা পাঁচবারের বিধায়ক সুদীপ এর আগে প্রদেশ যুব কংগ্রেস ও কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতাও ছিলেন তিনি। বছর তিনেক আগে তাঁর হাত ধরেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের পুনরুত্থান হয়েছিল। আবার তিনি বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তৃণমূলের জনপ্রিয়তায় ধস নামে।

বিজেপিতে যোগ দেওয়ার সময় সুদীপ বলেন, শুধু ‘স্বৈরাচারী’ সিপিএমকে হারাতেই তিনি দলবদল করেছেন।

সুদীপের বাবা সমীর রঞ্জন বর্মণ ত্রিপুরার সাবেক মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে তিনি কংগ্রেসের সক্রিয় সদস্য। ছেলে বিজেপিতে গেলেও তিনি কখনো হিন্দুত্ববাদী দলটির দিকে পা বাড়াননি।

দায়িত্ব নেওয়ার পর রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার উন্নয়নে বাড়তি গুরুত্ব দেন সুদীপ রায় বর্মণ। স্থানীয় গণমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে রাজ্য মন্ত্রিসভার সদস্যদের মধ্যে প্রশংসিতও হন তিনি।

মন্ত্রিত্ব চলে যাওয়ার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি সুদীপ। এর আগে তিনি বারবার বলেছেন, মন্ত্রিত্ব বা নেতৃত্ব নয়, তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ রাজ্যের স্বার্থ। রাজ্যবাসীর স্বার্থই তার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

সুদীপ রায় বর্মণের অপসারণের পর স্বাস্থ্য দপ্তরের দায়িত্ব নিজের হাতেই রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। মন্ত্রিসভার এখনই সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নেই বলেই বিজেপি সূত্রের খবর।

আপনার মন্তব্য লিখুন :
সংবাদটি শেয়ার করুন :