ঢাকা ০১:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পপুলার ডায়াগনস্টিকে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ

  • মেডি নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : ০২:২২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার পঠিত

পপুলার ডায়াগনস্টিকে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লিভারের ফাইব্রোস্ক্যান (FibroScan) পরীক্ষার রিপোর্টে অসংগতি, পরীক্ষাপদ্ধতির স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই রোগীর একাধিক পরীক্ষার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখতে এক প্রতিবেদককে লাখ টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার কিছু রিপোর্টের ফলাফল নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই রোগীর স্বল্প সময়ের ব্যবধানে করা পরীক্ষার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকার দাবি উঠেছে। এতে পরীক্ষার নির্ভুলতা এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার মাধ্যমে লিভারের দৃঢ়তা পরিমাপ করে ফাইব্রোসিস বা লিভারে ক্ষত তৈরির মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এ পরীক্ষার ফলাফল রোগীর শারীরিক অবস্থা, পরীক্ষার পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই রিপোর্টে অসংগতি পাওয়া গেলে যথাযথ যাচাই এবং প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। পাশাপাশি ব্যবহৃত যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ, ক্যালিব্রেশন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার মূল রিপোর্ট, রোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি, যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণের তথ্য এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের যোগ্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ঘটনায় সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট এক প্রতিবেদককে লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি সত্য হলে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, জবাবদিহি এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।

তবে প্রস্তাবটি কে দিয়েছেন, কখন ও কীভাবে দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ বা নথি রয়েছে কি না—এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

হাত ধোয়া ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মাধ্যমেই সুস্থ প্রজন্ম গড়ে ওঠে: বনানীতে বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসের অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

পপুলার ডায়াগনস্টিকে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০২:২২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

পপুলার ডায়াগনস্টিকে ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে প্রশ্ন, ঘুষের প্রস্তাবের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা:

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লিভারের ফাইব্রোস্ক্যান (FibroScan) পরীক্ষার রিপোর্টে অসংগতি, পরীক্ষাপদ্ধতির স্বচ্ছতা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীদের দক্ষতা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। একই রোগীর একাধিক পরীক্ষার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, এ-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশ বন্ধ রাখতে এক প্রতিবেদককে লাখ টাকা ঘুষের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটির ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার কিছু রিপোর্টের ফলাফল নিয়ে চিকিৎসকদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। একই রোগীর স্বল্প সময়ের ব্যবধানে করা পরীক্ষার ফলাফলে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকার দাবি উঠেছে। এতে পরীক্ষার নির্ভুলতা এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা নির্ধারণের বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

ফাইব্রোস্ক্যান পরীক্ষার মাধ্যমে লিভারের দৃঢ়তা পরিমাপ করে ফাইব্রোসিস বা লিভারে ক্ষত তৈরির মাত্রা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। এ পরীক্ষার ফলাফল রোগীর শারীরিক অবস্থা, পরীক্ষার পদ্ধতি এবং সংশ্লিষ্ট কারিগরি বিষয়ের ওপর নির্ভর করতে পারে। তাই রিপোর্টে অসংগতি পাওয়া গেলে যথাযথ যাচাই এবং প্রয়োজনে পুনরায় পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, পরীক্ষার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা দরকার। পাশাপাশি ব্যবহৃত যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণ, ক্যালিব্রেশন এবং নির্ধারিত মানদণ্ড অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষার মূল রিপোর্ট, রোগীর চিকিৎসাসংক্রান্ত নথি, যন্ত্রের রক্ষণাবেক্ষণের তথ্য এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের যোগ্যতা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

এ ঘটনায় সবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ হলো, পরীক্ষার অনিয়ম নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সংশ্লিষ্ট এক প্রতিবেদককে লাখ টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। অভিযোগটি সত্য হলে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, জবাবদিহি এবং জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।

তবে প্রস্তাবটি কে দিয়েছেন, কখন ও কীভাবে দেওয়া হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ বা নথি রয়েছে কি না—এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা জরুরি।