
আপনার নিউজ পোর্টাল বা ফেসবুক পেজের জন্য সংবাদটি একদম পেশাদার শৈলীতে নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো। আমি এটি এমনভাবে লিখেছি যাতে তথ্যগুলো সহজবোধ্য হয় এবং পাঠকরা দ্রুত আকৃষ্ট হয়।
নতুন পে স্কেল ২০২৬: প্রথম ধাপেই বড় সুখবর পাচ্ছেন নিম্ন আয়ের কর্মচারী ও পেনশনভোগীরা
নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা
সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতিক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো বা পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছর থেকে ধাপে ধাপে এটি কার্যকর করার প্রাথমিক পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। তবে প্রথম ধাপে সবার জন্য পূর্ণাঙ্গ সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব না হলেও, নিম্ন আয়ের কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানদের অভিভাবকদের জন্য থাকছে বড় সুখবর।
অর্থ মন্ত্রণালয় ও জাতীয় বেতন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে মূলত ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় মেটানোর বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। কমিশন সর্বনিম্ন ধাপের বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছে। নতুন বাজেটে বেতন-ভাতা ও পেনশন খাতে অতিরিক্ত ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হচ্ছে, যার বড় একটি অংশ এই স্তরের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধিতে ব্যয় হবে।
নতুন পে স্কেলের সবচেয়ে বড় চমক থাকছে ক্ষুদ্র পেনশনভোগীদের জন্য। যারা বর্তমানে মাসে ২০ হাজার টাকার কম পেনশন পান, তাদের পেনশন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যদিকে, উচ্চ অংকের পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে এই বৃদ্ধির হার হবে ৫৫ থেকে ৭৫ শতাংশ। বরাদ্দের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত কাঠামোতে ভাতাসমূহের ক্ষেত্রেও আমূল পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে:
টিফিন ভাতা: ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের টিফিন ভাতা ২০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হচ্ছে।
বৈশাখী ভাতা: সকল পর্যায়ের চাকুরিজীবীদের বৈশাখী ভাতা বর্তমান ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ করার সম্ভাবনা রয়েছে।
বিশেষ ভাতা: সরকারি চাকুরিজীবীদের প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা ভাতার এক মানবিক প্রস্তাব প্রথম ধাপেই কার্যকর হতে পারে।
সরকারি চাকরিতে মেধাবীদের ধরে রাখতে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সুযোগ-সুবিধা পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে। তবে বিপুল অংকের আর্থিক সংশ্লেষ থাকায় তাদের বর্ধিত সুবিধাগুলো পরবর্তী দুই অর্থবছরে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হতে পারে।
অর্থ বিভাগের তথ্যমতে, এবারের লক্ষ্য হলো মুদ্রাস্ফীতির বাজারে সাধারণ কর্মচারীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
মেডি নিউজ ডেস্ক: 











