ঢাকা ০৭:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

  • মেডি নিউজ ডেস্ক:
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • ২১ বার পঠিত

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়াতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন কৃষিজ্ঞানের সাথে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন শুধু উৎপাদনশীলতাই বাড়াবে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে। এতে করে তরুণ প্রজন্মও নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কৃষিখাতে যুক্ত হতে উৎসাহিত হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে কৃষি ও কৃষকের ভূমিকা অপরিসীম। কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও জলবায়ু সহিষ্ণু খাতে রূপান্তর করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য অর্জনে কৃষকের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া, উৎপাদন খরচ কমানো, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা বিকাশে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ৫ থেকে ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই মেলা কৃষি গবেষক, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের সার্বিক বিকাশ ঘটবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শস্য সংরক্ষণ, দুগ্ধ ও পোলট্রি উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের উদ্ভাবন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এই আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে কৃষি উপকরণ সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষি বিমা এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও বিপণন সুবিধা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতায় সমৃদ্ধ করে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

ড্যাব সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন আল রশীদ স্যারের জন্মদিনে উষ্ণ শুভেচ্ছা ও সুস্বাস্থ্য কামনা

কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে প্রযুক্তির বিকল্প নেই: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১১:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষিনির্ভর বাংলাদেশে কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে। একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বে কৃষিকে টিকিয়ে রাখতে এবং এর উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বাড়াতে আধুনিক কৃষি প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে শুরু হওয়া তিন দিনব্যাপী ‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন কৃষিজ্ঞানের সাথে আধুনিক প্রযুক্তির মেলবন্ধন শুধু উৎপাদনশীলতাই বাড়াবে না, বরং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে দেশের খাদ্যনিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে। এতে করে তরুণ প্রজন্মও নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে কৃষিখাতে যুক্ত হতে উৎসাহিত হবে।

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কৃষির অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, খাদ্যনিরাপত্তা, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই উন্নয়নে কৃষি ও কৃষকের ভূমিকা অপরিসীম। কৃষিকে আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর, লাভজনক ও জলবায়ু সহিষ্ণু খাতে রূপান্তর করা বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্য অর্জনে কৃষকের দোরগোড়ায় প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া, উৎপাদন খরচ কমানো, উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং কৃষিভিত্তিক শিল্প ও উদ্যোক্তা বিকাশে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

উল্লেখ্য, রাজধানীর আন্তর্জাতিক কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) পল্লি উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ), বগুড়া এবং লিমরা ট্রেড ফেয়ারস অ্যান্ড এক্সিবিশন্স প্রাইভেট লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগে ৫ থেকে ৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হচ্ছে ‘১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলা-২০২৬’।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই মেলা কৃষি গবেষক, প্রযুক্তি উদ্ভাবক, বিনিয়োগকারী, উদ্যোক্তা ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে কার্যকর সংযোগ স্থাপন করবে। এর মাধ্যমে নতুন বিনিয়োগ, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং কৃষিভিত্তিক শিল্পের সার্বিক বিকাশ ঘটবে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শস্য সংরক্ষণ, দুগ্ধ ও পোলট্রি উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের উদ্ভাবন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ে এই আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’-এর মাধ্যমে কৃষি উপকরণ সহায়তা, সহজ শর্তে ঋণ, কৃষি বিমা এবং কৃষিপণ্যের সংরক্ষণ ও বিপণন সুবিধা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তি ও কারিগরি দক্ষতায় সমৃদ্ধ করে কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করাই সরকারের মূল লক্ষ্য।