ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএমইউতে স্বচ্ছ ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

বিএমইউতে স্বচ্ছ ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক | ৬ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে দিনব্যাপী এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। কর্মশালার মূল বিষয়বস্তু ছিল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ), পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) এবং ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে ই-জিপি পদ্ধতি একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এটি একদিকে যেমন দুর্নীতি ও জটিলতা কমায়, অন্যদিকে কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।” তিনি বিশেষ করে অর্থবছর শেষে তড়িঘড়ি করে কেনাকাটা করার প্রবণতা পরিহার করে সময়মতো সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ই-জিপি বিষয়ক কনসালটেন্ট অধ্যাপক আবু সৈয়দ মজুমদার। বক্তারা তাদের আলোচনায় উল্লেখ করেন যে:

পিপিএ ২০২৬ ও পিপিআর ২০২৫-এর সঠিক প্রয়োগ সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করবে।

নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত স্পেসিফিকেশন প্রণয়ন করা যেকোনো কেনাকাটার প্রাথমিক ও প্রধান ধাপ।

ই-জিপি ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ।

উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফা কামাল।

প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ।

পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতন। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৫৩ জন শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও প্রশাসনিক ও আর্থিক বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :

চিকিৎসক-স্বাস্থ্যকর্মীদের ওপর ধারাবাহিক হামলা ড্যাবের নিন্দা, আইন প্রণয়নের দাবি

বিএমইউতে স্বচ্ছ ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০১:২১:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

বিএমইউতে স্বচ্ছ ক্রয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণে বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
নিজস্ব প্রতিবেদক | ৬ মে, ২০২৬

বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৬ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ডা. মিল্টন হলে দিনব্যাপী এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। কর্মশালার মূল বিষয়বস্তু ছিল পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অ্যাক্ট (পিপিএ), পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস (পিপিআর) এবং ই-গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট (ই-জিপি)।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, “সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনতে ই-জিপি পদ্ধতি একটি বৈপ্লবিক পরিবর্তন। এটি একদিকে যেমন দুর্নীতি ও জটিলতা কমায়, অন্যদিকে কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে।” তিনি বিশেষ করে অর্থবছর শেষে তড়িঘড়ি করে কেনাকাটা করার প্রবণতা পরিহার করে সময়মতো সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ই-জিপি বিষয়ক কনসালটেন্ট অধ্যাপক আবু সৈয়দ মজুমদার। বক্তারা তাদের আলোচনায় উল্লেখ করেন যে:

পিপিএ ২০২৬ ও পিপিআর ২০২৫-এর সঠিক প্রয়োগ সরকারি অর্থের অপচয় রোধ করবে।

নির্ভুল ও বাস্তবসম্মত স্পেসিফিকেশন প্রণয়ন করা যেকোনো কেনাকাটার প্রাথমিক ও প্রধান ধাপ।

ই-জিপি ব্যবস্থার মাধ্যমে ক্রয় প্রক্রিয়ায় মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. নাহরীন আখতারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন:

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কালাম আজাদ।

উপ-উপাচার্য (গবেষণা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান হাওলাদার।

রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ডা. মো. মোস্তাফা কামাল।

প্রক্টর অধ্যাপক ডা. শেখ ফরহাদ।

পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) খন্দকার শফিকুল হাসান রতন। এই প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৫৩ জন শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তা সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও প্রশাসনিক ও আর্থিক বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।